ঔষধ অধ্যায়নের নিয়মবলি

নিচে ঔষধ অধ্যায়নের নিয়মবলি দেওয়া হলো

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির অধ্যয়ন একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির অনুসরণ করে করা হয়। এই পদ্ধতিতে, রোগীকে এমন ঔষধ দেওয়া হয় যা তার রোগের উপসর্গের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। হোমিওপ্যাথি অধ্যায়নের নিয়মবলি হলো:

  1. উৎস: ঔষধের উৎস, যেমন উদ্ভিদ, খনিজ বা প্রাণী থেকে উৎস।

  2. ভিন্ন নাম: ঔষধের বিভিন্ন নাম, যেমন ল্যাটিন, গ্রিক বা স্থানীয় নাম।

  3. রাসায়নিক সংকেত: ঔষধের রাসায়নিক উপাদান ও সংকেত।

  4. বর্ণনা: ঔষধের বৈশিষ্ট্য, কার্যপ্রণালী এবং উপকারিতা।

  5. ব্যবহারিক অংশ: ঔষধের কোন অংশটি ব্যবহৃত হয় (যেমন পাতা, ফুল, শিকড়)।

  6. প্রাপ্তি স্থান: ঔষধটি কোথা থেকে পাওয়া যায়।

  7. প্রস্তুত প্রণালি: ঔষধ প্রস্তুত করার পদ্ধতি।

  8. পরীক্ষক: ঔষধটির পরীক্ষার জন্য যারা কাজ করেছেন তাদের নাম।

  9. রোগের কারণ: ঔষধটি কোন রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী।

  10. ক্রিয়া স্থল: ঔষধটি শরীরের কোন অংশে কাজ করে।

  11. ধাতুগত লক্ষণ: ঔষধের ধাতুগত বৈশিষ্ট্য।

  12. চরিত্রগত লক্ষণ: ঔষধের সাধারণ লক্ষণ।

  13. মানসিক লক্ষণ: রোগী বা তার মানসিক অবস্থা সম্পর্কিত লক্ষণ।

  14. হ্রাস-বৃদ্ধি: ঔষধের প্রয়োগে রোগের লক্ষণের পরিবর্তন।

  15. আঙ্গিক লক্ষণ: শারীরিক উপসর্গ বা লক্ষণ।

এই নিয়মগুলো মেনে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়, যা রোগীর প্রতি সম্যক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে কাজ করে।

নম্বর নিয়মবলি
উৎস
ভিন্ন নাম
রাসায়নিক সংকেত
বর্ণনা
ব্যবহারিক অংশ
প্রাপ্তি স্থান
প্রস্তুত প্রণালি
পরীক্ষক
রোগের কারণ
১০ ক্রিয়া স্থল
১১ ধাতুগত লক্ষণ
১২ চরিত্রগত লক্ষণ
১৩ মানসিক লক্ষণ
১৪ হ্রাস-বৃদ্ধি
১৫ আঙ্গিক লক্ষণ
১৬ তুলনামূলক আলোচনা
১৭ পরবর্তী ঔষধ
১৮ অনুপুরক ঔষধ
১৯ ক্রিয়া নাষক ঔষধ
২০ শক্তি
২১ মাত্রা
Share.